শিক্ষা প্রশাসনে ‘হাসিনা দোসর’ অপসারণের দাবি অভিভাবক-ছাত্র-শিক্ষক জাতীয় মঞ্চের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

 শিক্ষা প্রশাসনে ‘হাসিনা দোসর’ অপসারণের দাবি

অভিভাবক-ছাত্র-শিক্ষক জাতীয় মঞ্চের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত


ঢাকা, ১ এপ্রিল ২০২৬ (বুধবার):

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের’ উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে তাদের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে অভিভাবক-ছাত্র-শিক্ষক জাতীয় মঞ্চ।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলরুমে আজ সকাল ১১টায় আয়োজিত “শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরে ফ্যাসিস্ট সরকারের শীর্ষ দুর্নীতিবাজরা—কেনো? শিক্ষায় দুর্নীতি এবং বর্তমান সরকারের করণীয়” শীর্ষক মুক্ত আলোচনা ও অভিভাবক মতবিনিময় সভায় এ দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা-এর সঞ্চালনায় এবং ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি আনুষা বেলায়েতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজনরা অংশগ্রহণ করেন।

বিশিষ্টজনদের বক্তব্য

আলোচনা সভায় সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন—




বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও একুশে পদকপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, অধ্যাপক ড. আবদুল লতিফ মাসুম, সাহানা সুলতানা, মারজান আক্তার, এস এম জহিরুল ইসলাম, মফিজুর রহমান লিটন এবং মোহাম্মদ আল আমিনসহ অনেকে।

এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

‘প্রফেসর হান্নান’ ইস্যুতে সমালোচনা

বক্তারা অভিযোগ করেন, সাবেক ঢাবি ছাত্রনেতা প্রফেসর হান্নানকে অতীতে ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও তিনি এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল রয়েছেন। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম কলেজে সংঘটিত ঘটনার পর তাকে ওএসডি করা হলেও পরবর্তীতে শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (কলেজ) এবং পরে ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

তারা প্রশ্ন তোলেন, বর্তমান সরকার গঠনের পরও কেন তাকে দায়িত্বে রাখা হয়েছে।

প্রশাসনে ‘গুপ্তচক্র’ অভিযোগ

বক্তারা আরও বলেন, শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে এখনো সাবেক সরকারের ঘনিষ্ঠদের অবস্থান রয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যান, সচিব, কন্ট্রোলার, কলেজ ও স্কুল পরিদর্শকসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে ‘গুপ্তদলের সদস্যরা’ বহাল রয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান

সভায় বক্তারা সতর্ক করে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকলে শিক্ষা প্রশাসনে বিভ্রান্তি ও অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। দীর্ঘদিন বঞ্চিত কর্মকর্তারা হতাশ হয়ে পড়তে পারেন, যা প্রশাসনিক অস্থিরতার কারণ হতে পারে।

তারা অবিলম্বে—

প্রফেসর হান্নানকে অপসারণ

শিক্ষা বোর্ড ও অধিদপ্তরের বিতর্কিত কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার

স্বচ্ছ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানান।


বক্তারা বলেন, শিক্ষা খাতকে দুর্নীতিমুক্ত ও কার্যকর করতে হলে দ্রুত প্রশাসনিক সংস্কার জরুরি। সরকার যত দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে, ততই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য মঙ্গলজনক হবে।

আপনি চাইলে এটাকে প্রেস রিলিজ ফরম্যাট, পত্রিকার জন্য সংক্ষিপ্ত ভার্সন, অথবা ফেসবুক পোস্ট আকারেও সাজিয়ে দিতে পারি।

Post a Comment

0 Comments